‘মাছ-সবজি খেলে হেরে যেতাম না’

প্রকাশিত: ৬:২১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৭, ২০২১

ডেস্ক ডিসকাস থ্রোয়ে তৃতীয়বারের মতো মামুন শিকদারের কাছে হারলেন আজহারুল ইসলাম। এ ইভেন্টের কিংবদন্তী আজহারের কাছেই খেলাটা শিখেছেন মামুন। বয়স ৫০ বছর। এখন তো হারতেই পারেন তাই না? কিন্তু আজহার যেন হার মানতে পারেন না কখনো। তাই তো এই বয়সেও শ্রেষ্ঠত্ব ফিরিয়ে আনার জন্য মাত্র আড়াই মাস সময় নিলেন।

কিভাবে? ১ থেকে ১০ এপ্রিল হবে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমস। তখন আবার নিজের প্রিয় ইভেন্টের স্বর্ণ জিততে চান ৩৩ বার ডিসকাস থ্রোয়ে স্বর্ণ জেতা কিশোরগঞ্জের এই অ্যাথলেট।

২০১৯ এ হেরেছেন। ২০২০ জিতেছেন। ২১ সালে এসে আবার হারলেন। এক সময় এককভাবে রাজত্ব করা আজহার এখন হার-জিতের মধ্যে আছেন। কিন্তু এই হারটাকে তিনি মেনে নিতে পারছেন না। হারের পেছনে কয়েকটি কারণ দাঁড় করালেন আজহার। যার প্রধান হচ্ছে- খাদ্যাভ্যাস।

তো খাওয়া-দাওয়া কি খারাপ হয়েছে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে? আজহার তা বলছেন না। ‘এখানে খাওয়া ভালো হয়েছে। তবে সব অতিচর্বিযুক্ত। যা আমার জন্য মোটেও মানায় না। আমার জন্য মাছ ও সবজি হলে ভালো হতো। জিততে না পারার অন্যতম কারণ এটা। তাছাড়া আবহাওয়াও একটা কারণ’- বলেছেন আজহারুল ইসলাম।

জাতীয়, সামার বা বাংলাদেশ গেমস- এ আসরগুলোতে মিডিয়ার আলাদা নজর থাকে আজহারুল ইসলামের দিকে। ব্যতিক্রম ছিল না এবারও। জয়ের মতো আজহারের হারটাও যে বড় খবর। তাই তো প্রতিযোগিতা শেষে তাকে ঘিরে ধরেন একঝাঁক গণমাধ্যমকর্মী।

‘আমার বয়স ৫০ বছর চলছে। খেলছি ২৫ বছর ধরে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দলে খেলে টানা ২২ বছর স্বর্ণ পেয়েছি। মাঝে জিতেছিলাম বিজেএমসির হয়ে। আগে দুইবার স্বর্ণ হারিয়েছি, এবার আবার হারালাম। তবে বাংলাদেশ গেমসে ভাল করব। আমি এখনই হাল ছাড়ছি না। ক্যারিয়ারের ইতি টানছি না।’

বাংলাদেশ গেমসের সময়ও তো খাবারে সমস্যা হতে পারে। যে কারণে এই অভিজ্ঞতা থেকে তখন আগে আসার কথা বলেছেন আজহারুল ইসলাম, ‘বাংলাদেশ গেমসে খেলার আনেক আগে চলে আসবো।’


সম্পাদক

মোঃ আবুল হাসান মোবাইল নাম্বার 01860003666

বার্তাকক্ষ

মোবাইল নাম্বার 09638870180