পাবনা প্রতিনিধি

চার বাড়িতে ৪০ মৌচাক, আতঙ্কে এলাকাবাসী

প্রকাশিত: ১০:৪০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২১

একটি নয়-দু’টি নয়, ৪০টি মৌচাক। তাও আবার একই গ্রামের চার বসতবাড়িতে। মৌমাছির ভয়ে এরইমধ্যে একটি পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করছেন। মৌমাছির সঙ্গেই বসবাস করছেন অন্য ৩টি পরিবারের সদস্যরা। তবে কখন কে মৌমাছির কামড়ে আক্রান্ত হয় এই আতঙ্ক বিরাজ করছে এলাকাবাসীর মধ্যে। এমনই চিত্র পাবনার চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের। 

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরত্বে শাহপুর গ্রাম। চারদিকে ফসলের মাঠ। রেলবাজার থেকে খতবাড়ি অভিমুখে শাহপুর গ্রামের রাস্তার পাশে ইস্তার আলীর বাড়ির কার্নিশ-জানালা মিলে অন্তত ১০টি এবং পাশাপাশি আবদুল মজিদ ও জাকির হোসেনের বসত বাড়ি ও বাড়ির ভেতরে আম গাছে ২০টি মৌচাক লেগে আছে। প্রায় ৬ মাস ধরে শাহপুর এলাকায় মৌচাকগুলো লেগেছে। এরমধ্যে মৌমাছির ভয়ে জাকির হোসেন বাড়ি ছেড়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বাস করছেন।

অন্যদিকে, শাহপুর পূর্বপাড়া গ্রামে প্রবাসী আকরাম হোসেনের বসত ঘরের সামনে ও বাগান মিলিয়ে অনন্ত ১০টি মৌচাক লেগেছে। এক গ্রামে এতগুলো মৌচাক বসায় গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। মৌমাছির দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে অনেক শিশুই ঘর থেকে বের হতে বা খেলাধূলা করতে পারছে না। ওই চারটি পরিবার মধু সংগ্রহ করে নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি কিছু মধু বাজারে বিক্রি করলেও এলাকাবাসীরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

শাহপুর স্কুল মাষ্টার জালাল উদ্দিন বলেন, মাঠগুলোতে সরিষাসহ নানা ফসল আবাদের কারণে এভাবে মৌমাছির আনাগোনা বেড়েছে। মৌচাকগুলো দেখে ভালোই লাগে। কিন্তু কখন কে ঢিল ছোঁড়ে আর মৌমাছিরা শিশু বা পথচারীদের কামড়ে দেয় এই আতঙ্কে থাকতে হয়।

ওই গ্রামের মুদি দোকানদার বলেন, প্রায় ৪ থেকে ৫ মাস ধরে মৌচাকগুলো লেগেছে। এরমধ্যে দুই বার মধু সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে দু একটা মাঝে মধ্যে কামড় দিলেও মৌমাছিগুলো পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম বকুল বলেন, কৃষি প্রধান এলাকা হওয়ায় মৌমাছির আনাগোনা বেড়েছে। এর আগে এই এলাকায় এক সঙ্গে এতোগুলো মৌচাক কখনোই দেখা যায়নি।


সম্পাদক

নির্বাহী সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলক প্রকাশক মোঃ আবুল হাসান মোবাইল নাম্বার 01860003666

বার্তাকক্ষ

মোবাইল নাম্বার 09638870180