ডেস্ক

পরকীয়ায় বাধা: অভিমানে ভুট্টাক্ষেতে একসঙ্গে প্রেমিক-প্রেমিকার বিষপান

প্রকাশিত: ৫:৪১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২১

চুয়াডাঙ্গায় পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় পরিবারের ওপর ক্ষোভে ও অভিমানে ভুট্টাক্ষেতে একসঙ্গে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন পরকীয়া প্রেমিক-প্রেমিকা।

বুধবার (০৩ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিক ভুট্টাক্ষেতে গিয়ে তারা একসঙ্গে বিষপান করেন। পরে খবর পেয়ে দুই জনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের চৌধুরীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, দামুড়হুদার জয়রামপুর গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে ট্রাক হেলপার সাগর দশ বছর আগে একই গ্রামে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে রয়েছে সাত বছরের এক ছেলে।

অন্যদিকে সাগরের মামাতো শ্যালক মামুন ছয় বছর আগে বিয়ে করেন একই উপজেলার উজিরপুর গ্রামের আছের আলীর মেয়েকে। তাদের সংসারে পাঁচ বছরের এক ছেলে ও তিন বছরের এক মেয়ে রয়েছে। বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই শ্যালক মামুনের স্ত্রীর সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে সাগরের। একপর্যায়ে তা পরকীয়া সম্পর্কে গড়ায়।

বিষয়টি জানাজানি হলে দুই পরিবারের পক্ষ থেকেই তাদের শুধরানোর জন্য বলা হয়। কিন্তু তাদের সম্পর্ক ভেঙে যাক সেটি কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি। সম্প্রতি শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়িও চলে যায় সেই প্রেমিকা।

বুধবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের পর সন্ধ্যায় জয়রামপুর গ্রামের মাঠে ভুট্টাক্ষেতে গিয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে একসঙ্গে বিষপান করেন। এ সময় তারা কাফনের কাপড় কেনার জন্য মোবাইল ফোনে স্বজনদের জানান।

খবর পেয়ে নিকটআত্মীয়রা তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

সাগর বলেন, মামুনের স্ত্রীর সঙ্গে আমার অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে বলে পরিবারের লোকজন খুব অশান্তি করে। ফলে আমরা দুইি জনে সিদ্ধান্ত নিই একসঙ্গে আত্মহত্যা করব।

প্রেমিকা গৃহবধু বলেন, সাগরের সঙ্গে আমার শুধু ননদাইয়ের মতোই সম্পর্ক ছিল। তারপরও সাগরের সঙ্গে আমার পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে বলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রায়ই নির্যাতন করে। দুই মাস আগে বাপের বাড়ি চলে যাই। সপ্তাহখানেক আগে শ্বশুরবাড়ি গিয়ে ৩-৪ দিনও থাকতে পারিনি।

সাগরের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে বুধবার সন্ধ্যার পর আবারো জয়রামপুরে যাই। রাতে গ্রামের মাঠে ভুট্টাক্ষেতে গিয়ে দুই জনে একসঙ্গে বিষপান করি।


সম্পাদক

মোঃ আবুল হাসান মোবাইল নাম্বার 01860003666

বার্তাকক্ষ

মোবাইল নাম্বার 09638870180