পলাশবাড়ীতে আদালতের রায় উপেক্ষা করে বসতবাড়ী ভাংচুর, ফসল বিনষ্ট ৩’লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি-

প্রকাশিত: ৮:৩৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২১

এন এম সরকার-
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর পল্লীতে আদালতের রায় ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বসতবাড়ী ভাংচুর, ফসল বিনষ্ট ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রোববার সকালে উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লী বরিশাল ইউপি’র সর্বাঙ্গ ভাদুরিয়া গ্রামে। জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত আঃ মজিদের স্ত্রী রহিমা বেওয়ার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ৬০ শতক জমিতে বসতবাড়ী নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিল। পাশাপাশি নালিশী জমিতে ভুট্টা, আলু, কুমড়া, মরিচসহ বিভিন্ন ফসল এবং ছোট ছোট ফলজ ও বনজ বৃক্ষাদি রোপন করে ভোগ দখল করে আসছিল। নালিশী জমি একই গ্রামের মৃত আবু মুন্সির ছেলে রাজা সরকার ৮০ বছর পূর্বে নিলামী মালিকানা সূত্রে দাবী করেন। ফলে রহিমা বেওয়া আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গাইবান্ধা জেলা সহকারী জজ আদালতে পরপর দুইটি অন্য মোকদ্দমা ৬১/১২ ও ২৩৯/১২ দায়ের করেন। মামলার বিচার শেষে বিজ্ঞ বিচারক রহিমা বেওয়ার পক্ষে পরপর দুইটি রায় ঘোষণা করেন এবং বিবাদী পক্ষের প্রতি নিষেধাজ্ঞা জারী করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কোর্ট কর্তৃক কমিশন দ্বারা রহিমা বেওয়ার অনুকুলে উক্ত জমি বুঝিয়ে দেন। এরই ধারাবাহিকতায় রহিমা বেওয়া নালিশী জমিতে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে এবং বিভিন্ন ফসলাদি চাষাবাদ করে।

এদিকে প্রতিপক্ষ রাজা সরকার গংরা গত রোববার সকালে বেআইনী জনতায় দলবদ্ধ হয়ে ভাড়াটিয়া গুন্ডাবাহিনী দ্বারা জবরদখলের উদ্দেশ্যে উক্ত জমিতে হালচাষ করে ফসলাদি বিনষ্ট করে এবং বসতবাড়ী ভাংচুর করে ধুলিস্মাৎ করে দেয়। তাৎক্ষনিকভাবে গ্রামবাসীরা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে অবগত করলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং বিবাদীদের প্রতি মৌখিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে চলে আসেন। রহিমা বেওয়া জানান, এতে আমার প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এব্যাপারে বিবাদী রাজা সরকারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, নালিশী জমি আমরা ৮০ বৎসর পূর্বে মালিকানা স্বত্ব নিয়ে কৌশলগত কারণে জমি দখল করতে গিয়েছি। তবে কোর্ট তাদের পক্ষে রায় দেয়ায় আমি আপিলের আবেদন করেছি। এছাড়া তিনি বলেন, আমরা জমিটা দখলে নেয়ার জন্যই আজকের এই সকল কর্মকান্ড করেছি।


সম্পাদক

মোঃ আবুল হাসান মোবাইল নাম্বার 01860003666

বার্তাকক্ষ

মোবাইল নাম্বার 09638870180