রংপুরে মাদ্রাসার বাথরুম থেকে কিশোরীর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত: ৯:২৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১

ডেস্ক রংপুরের বদরগঞ্জের একটি মাদ্রাসার বাথরুমের দরজা ভেঙ্গে এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরীর ৪ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। মৃত্যুর পেছনে স্বামী-সংসারের টানাপোড়েনকে অনেকে সন্দেহ করলেও ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে পৌরসভার জামুবাড়ি পকিহানা এলাকার খাদিজাতুল কোবরা বালিকা মাদ্রাসায় ওই ঘটনাটি ঘটলেও পুলিশ বুধবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে লাশটি উদ্ধার করে।

সুমাইয়া সুলতানা খুশি নামে ওই কিশোরী এই মাদ্রাসার ছাত্রী। মাদ্রাসার পাশেই তাদের বাড়ি হলেও ৪ বছর ধরে আবাসিক শিক্ষার্থী হিসাবে ওই মাদ্রাসায় থাকতো খুশি।

এ ঘটনাটি রহস্যজনক মন্তব্য করে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বদরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক রুহুল আমীন জানিয়েছেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেয়া খবরে বুধবার দুপুরে সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেলে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মাদ্রাসার শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম ঘটনাটিকে আত্মহত্যা দাবি করে বলেন, বাল্যবিয়ের শিকার মেয়েটি সন্ধায় মোবাইলফোনে কারও সঙ্গে কথা বলে কান্নাকাটি করেছে। সেই ক্ষোভ থেকে রাতে বাথরুমে ঢুকে আত্মহত্যা করেছে।

মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্রী জানায়, মাদ্রাসার ওই বাথরুমটি দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকায় বাইরে থেকে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে সবাই মিলে দরজা ভেঙে তাকে বের করে হাসপাতালে নেয়া হয়।

বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নাজমুল হোসোইন জানান, হাসপাতালে আনার অনেক আগেই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছিল। গলায় সামান্য দাগ ছিল। রাতেই বিষয়টি পুলিশকে অবগত করা হয় বলে জানান তিনি।

তবে খুশির মা আদরী বেগম ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসাবে মেনে নিতে পারছেন না। আহাজারি করে তিনি বলেছেন, তার মেয়ে সহজ সরল ছিল। বাথরুমে তাকে বসে থাকা অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাহলে এটি কিভাবে আত্মহত্যা হয়। বাবা মফিজুল ইসলামের ধারণাও একইরকম। তবে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ করতে পারছেন না তারা।


সম্পাদক

মোঃ আবুল হাসান মোবাইল নাম্বার 01860003666

বার্তাকক্ষ

মোবাইল নাম্বার 09638870180