চিরিরবন্দরে নদীর একই স্থানে দু’ধারের দু্ই ব্রীজেই ফাটল, মাঝখানে বাঁশের সাঁকো, এলাকাবাসীর দুভোর্গ চরমে।

প্রকাশিত: ২:০৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৭, ২০২১

মোঃ নূর ইসলাম নয়ন , দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের ভেলামতি নদীতে একই স্থানে দু’টি ব্রীজ নিমার্ন করেও শেষ রক্ষা হয়নি। অবশেষে দুই ব্রীজেই ফাটল ও মাঝখানের সংযোগ স্থলে ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় নদী পারাপারে জন সাধারনের দুভোর্গ চরমে দাড়িয়েছে।

এতে প্রায় দশ গ্রামের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় জরুরী প্রয়োজনে এ্যাম্বুলেন্স পারাপার, এলাকার উৎপাদিত কাঁচামাল পরিবহন, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ জনগন ভোগান্তিতে চলাচল করছে। তবে স্থানীয় লোকজন ওই ভাঙ্গন স্থানে বাঁশের সাকো দিয়ে অতি কষ্টে চলাচল করছে।

জানা গেছে, গত চার বছর পূর্বে উপজেলার গমিরাহাট সংলগ্ন ভেলামতি নদীর উপর একই স্থানে দু’ধারে ত্রান অধিদপ্তরের আওতায় ব্রীজ দু’টি নির্মান করা হয়।

এলাকাবাসীর অনেকে অভিযোগ করে বলেন, অপরিকল্পিতভাবে ব্রীজ নির্মান করায় মাত্র ৪ বছরের মাথায় ভেঙ্গে গেছে, বর্তমানে আমাদের উৎপাদিত কৃষিপন্য পরিবহন, এ্যাম্বুলেন্স বা অন্যান্য পরিবহনে বিকল্প পথ ব্যবহারে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে পাশাপাশি সময় লাগছে দ্বিগুন। গমিরাহাট গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ ও হামিদুল হক জানান, জন্মের পর হতে এই প্রথম নদীর একই স্থানে মাঝখানে ফাঁকা রেখে দু’ধারে ব্রীজ নির্মান দেখলাম। কি পরিকল্পনায় এমন বীজ নির্মান করা হয়েছে তা বিষ্ময়ের বিষয়।

চিরিরবন্দর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মনোয়ারুল ইসলাম জানান, ২০১৭ সালের ভয়াবহ বন্যায় ব্রীজ দু’টির ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছিল।

যার ফলে প্রতি বছর বর্ষাকালে ক্রমান্বয়ে ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে ব্রীজ নির্মান করে এলাকাবাসীর যাতায়াতে সুব্যবস্থা করতে সরকারে উর্দ্ধতন কর্তর্ৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।


সম্পাদক

নির্বাহী সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলক প্রকাশক মোঃ আবুল হাসান মোবাইল নাম্বার 01860003666

বার্তাকক্ষ

মোবাইল নাম্বার 09638870180