নামে লকডাউন, কাজে নেই

প্রকাশিত: ৪:২১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৭, ২০২১

ডেস্ক সময় যত গড়াচ্ছে ততই যেন ঢিলেঢালা রূপ নিচ্ছে করোনার সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ। তৃতীয় দিনে বুধবার (৭ এপ্রিল) সরকারি ঘোষণায় গণপরিবহন চালু হওয়ায় অনেকটাই স্বাভাবিক রূপে ফিরেছে রাজধানীর সড়কে। বেড়েছে ট্রাফিক পুলিশের ব্যস্ততাও। তবে সংক্রমণ রোধে আরোপিত সরকারি বিধিনিষেধ মানাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ছিল না জোরালো কোনো উদ্যোগ। অন্যদিকে, অফিস ও ব্যাংকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান খোলা রেখে দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ছিল অনেকের।

দেখা যায় সড়কজুড়ে গাড়ির দীর্ঘ সারি। এ যেন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি দিন। ছিল স্বাভাবিক কর্মব্যস্ততা।

গত দুদিন ব্যক্তিগত গাড়ির দখলে থাকলেও বুধবার সড়কের কর্তৃত্ব হাতে পায় গণপরিবহন। এ দিন যানবাহনের পাশাপাশি সড়কজুড়ে মানুষের সংখ্যাও ছিল অন্য যে কোনো স্বাভাবিক দিনের মতোই। তবে গণপরিবহনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখার বিষয়টি মানতে দেখা গেছে অধিকাংশ বাসের ক্ষেত্রেই।

গণপরিবহন চালু হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন বাসের ভেতরে বসা যাত্রীরা।

তবে বরাবরের মতোই অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ ছিল অনেক সাধারণ যাত্রীদের।

এদিকে সংক্রমণ রোধে সাধারণ মানুষের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণে ছিল না তেমন কোনো উদ্যোগ। বিনা প্রয়োজন কিংবা অপ্রয়োজনেও ঘরের বাইরে দেখা গেছে অনেককেই। এক্ষেত্রে সরকারি বিধিনিষেধ নিয়ে মানুষের ছিল মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

তবে, রাজধানীর চকবাজার এবং বংশালে মাস্ক পরায় সচেতনতা তৈরিতে মাঠে ছিল ঢাকা জেলা প্রশাসক পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ঢাকা জেলা প্রশাসক পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেন, সচেতনতা বাড়াতে কাজ করা হচ্ছে। এক বিক্রয় প্রতিনিধিকে জরিমানা করাও হয়েছে।

অনেক শপিংমলে গিয়ে দেখা গেছে শপিংমলের ম্যানেজার ও বিক্রয়কর্মীর মুখে মাস্ক নেই। সরকারের প্রত্যাশা যে মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুক। তাহলে তো সমস্যা নেই, তারা তো সেটা করছে না বলে জানান তিনি।

সরকারি প্রজ্ঞাপনে সারাদেশের সকল গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা করা হলেও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ঘোষণায় বুধবার সকাল থেকে দেশের সকল সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচল শুরু করে গণপরিবহন।


সম্পাদক

নির্বাহী সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলক প্রকাশক মোঃ আবুল হাসান মোবাইল নাম্বার 01860003666

বার্তাকক্ষ

মোবাইল নাম্বার 09638870180