নিখোঁজ সেই সাবমেরিনের ৫৩ ক্রুর মৃত্যু

ওয়েব ওয়েব

ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:৪৯ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৫, ২০২১

বেশ কয়েক দিন নিখোঁজ থাকার পর ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিনটির কিছু ধ্বংসাবেশ উদ্ধার করা গেলেও এটির সন্ধানে এখনো অভিযান চলছে। গভীর সমুদ্রে অনুসন্ধান চালাতে সক্ষম এমন বিশেষ যান দিয়ে সাবমেরিনটি উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।

এসব উদ্ধারকারী নৌযানের রয়েছে বিশেষ প্রযুক্তি এবং অত্যাধুনিক সিগন্যাল ক্ষমতা রয়েছে। যার মাধ্যমে সন্ধান করা হয় সাবমেরিনের মতো যুদ্ধযানের। এদিকে ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর আশঙ্কা অক্সিজেন শেষ হয়ে যাওয়ায় এরই মধ্যে ৫৩ ক্রুর মৃত্যু হয়েছে।

গত বুধবার গোলাবর্ষণ মহড়ায় অংশ নিতে গিয়ে নিখোঁজ হয় ইন্দোনেশিয়ার একটি সাবমেরিন। এ সময় সাবমেরিনটিতে ছিলেন ৫৩ জন ক্রু। নিখোঁজের পর থেকেই নানা প্রক্রিয়ায় যুদ্ধযানটি উদ্ধারে অভিযান শুরু করা হয়।

তবে অত্যাধিক ওজন এবং আকারে বড় হওয়ায় শুরু থেকেই সাবমেরিনটির সন্ধান পেতে বেগ পেতে হয় উদ্ধারকারীদের। এর সঙ্গে যোগ হয় এমন দুর্ঘটনার মোকাবিলার অভিজ্ঞতার অভাব।

মূলত যদি কোন সাবমেরিন দুর্ঘটনায় পড়ে অথবা ডুবে যায় তাহলে ডিপ সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ ভিকেল নামক একটি বিশেষ যান দিয়ে তা উদ্ধার করা হয়। দেশভেদে এর নাম এবং আকারও ভিন্ন হয়।

সাবমেরিন উদ্ধারে যানগুলো সাধারণত বিমান কিংবা জাহাজে পরিবহন করা হয়। তবে কিছু উদ্ধার যান আবার অন্য কোনো সাবমেরিনেও পরিবহন করা হয়। এই রেসকিউ ভিকেলগুলোত রয়েছে অত্যাধুনিক সিগন্যাল অ্যানালাইসিস সিস্টেম। যা সাগরের ভেতর ডুবে গিয়ে সাবমেরিনের অবস্থান শনাক্ত করে।

এরপর সাবমেরিনের সন্ধান পাওয়া গেলে আর্মের মাধ্যমে হ্যাচ খুলে ফেলা হয়। এরপর এটি সাবমেরিনের ভেতর থেকে আটকেপড়া ক্রুদের উদ্ধার করা হয়। সেই সঙ্গে নিখোঁজ সাবমেরিনটি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

সাবমেরিন উদ্ধারকারী নৌযান উদ্ধারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে ব্রিটিশ জেমস ফিসার অ্যান্ড সন্স সবার থেকে এগিয়ে। তাদের তৈরি করা এল.আর ফাইভ ব্যবহার করে ন্যাটোর অধিকাংশ দেশ। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং রাশিয়ারও রয়েছে সাবমেরিন উদ্ধারের বিশেষ প্রযুক্তি এবং নৌযান।

সূত্র বিবিসি।


সম্পাদক

নির্বাহী সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলক প্রকাশক মোঃ আবুল হাসান মোবাইল নাম্বার 01860003666

বার্তাকক্ষ

মোবাইল নাম্বার 09638870180