আব্দুল জলিল কেরু এন্ড কোম্পানি বানিজ্যিক খামারের ৩শ একর জমি লীজে নিয়ে টাকা পরিশোধ না করেই দিলেন সাবলীজ

প্রকাশিত: ৩:০৯ অপরাহ্ণ, মে ৪, ২০২১

স্বপন কুমার রায়, খুলনাচুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা কেরু এ্যন্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) এলাকার একমাত্র অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি। এ প্রতিষ্ঠনকে ঘিরে রেখেছে একটি ঠিকাদারী চক্র।

তাদের মধ্যে আব্দুল জলিল দর্শনা কেরু,র চিনিকলের নিকট কালাে তালিকা ভূক্ত একজন ঠিকাদার। কালো তালিকা ভূক্ত হলেও কর্মকর্তা বদলী হওয়ার কারণে সবকিছু ম্যানেজ করেই আবারও ৩শ একর জমি খণ্ডকালীন লীজ নিয়েছেন। দ্বিগুণমূল্যে সাবলীজ ও নিজে চাষাবাদ করলেও চিনিকল কর্তৃপক্ষকে লীজের টাকা পরিশোধ করেননি বলে জােরগুঞ্জণ শোনা যাচ্ছে। দক্ষতার সাথে সবকিছু ম্যানেজ করেই নাকি তিনি এ কাজ হাসিল করছেন। কারণ আব্দুল জলিল দম্ভক্তি করে বলেন, দর্শনা কেরু,র চিনিকলের প্রায় অফিসার তার আনুগত্য এবং চলেন তার পরামর্শে।

চিনিকল সূত্রে জানাগেছে, সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা কেরু,র চিনিকল কর্তৃপক্ষ ৯টি কৃষি খামারের ৮৮৮ একর জমি খণ্ডকালিন (৫ মাস) মেয়াদী লীজ দেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ৭৫৩ একর জমির বিপরীতে ১৫৬ টি সিডিউল বিক্রয় হয়। যেখান থেকে চিনিকল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন খামার এলাকায় পড়ে থাকা অলস জমি থেকে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা বাড়তি আয় করছেন। ১৩৫ একর জমির বিপরীতে কােন দরপত্র পড়েনি। ৭৫৩ একর বধ্য লীজের সাথে পড়ে থাকা ১৫৩ একর জমি যেন কৌশলে লীজ না হয়ে যায়।
কারণ এত জমির হিসাব পরীপূর্ণ ভাবে ঠিক রাখা যে কাহারাে জন্য কঠিণ কাজ। একটি সূত্র জানিয়েছে, চিনিকলের কালাে তালিকা ভূক্ত ঠিকাদার আব্দুল জলিল কৌশলে ৩শ একর জমি অলিখিত ভাবে নিজে লীজ নিয়েছেন। যার মূল্য পড়ছে গড়ে ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকার মত। যা অন্যান্য লীজকৃত জমির মূল্যর চাইতে ১ দেড় হাজার টাকা কমে। আর সেই জমি তিনি চড়ামূল্যে সাবলীজ এবং কিছু জমি নিজে চাষাবাদ করছেন।
টাকা পরিশোধ ছাড়া জমি চাষাবাদ করার বিধান থাকলেও তিন কেরু,র চিনিকলের ফাণ্ড লীজের টাকা পরিশোধ করেনি বলে জােরগুঞ্জণ শোনা যাচ্ছে। দক্ষতার সাথে সবকিছু ম্যানেজ করেই নাকি তিনি এ কাজ হাসিল করছেন। কারণ আব্দুল জলিল দম্ভক্তি করে বলেন, কেরুজ চিনিকলের প্রায় অফিসার তার আনুগত্য এবং চলেন তার পরামর্শে। শুধু আব্দুল জলিলই না, ভাই বাবলু আকন্দবাবাড়িয়া বীজ উৎপাদন খামার দীর্ঘদিন ফার্ম ইনচার্জ হিসাবে অনিয়ম করে চেয়ার ধরে রেখেছেন।
চিনিকলের অনেক কর্মকর্তার বদলী হলেও অজ্ঞাত কারণে বাবলুর বদলী করা সম্ভব হয় না চিনিকল কর্তৃপক্ষর। অনেকেই মন্তব্য করে বলেছেন, শেষমেষ লীজের টাকা আদায় এবং সময় মত জমি ফেরত পেতে চিনিকল কর্তৃপক্ষকে যেন ভাগান্তিতে পড়তে না হয়।(পর্ব-১-চলবে)


সম্পাদক

নির্বাহী সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলক প্রকাশক মোঃ আবুল হাসান মোবাইল নাম্বার 01860003666

বার্তাকক্ষ

মোবাইল নাম্বার 09638870180