বাজেট ঘোষণা’র আগেই পাটগ্রামে নিত্যপ্রয়োজনীয় ১০ টি পণ্যের বাজারদর ঊর্ধবমূখী!

প্রকাশিত: ৪:১৭ অপরাহ্ণ, মে ২৮, ২০২১

পাটগ্রাম প্রতিনিধি: আগামী বাজেট ঘোষণা’র আগেই সরকারকে ফাঁকি দিয়ে করোনা’র লকডাউনকে পূঁজি করে কাঁচামাল সঙ্কটের অজুহাতে জিনিসপত্রের দাম বাড়ানোর নিত্য নতুন কৌশল দেখা যাচ্ছে। লালমনিরহাটের পাটগ্রামে চাল ডাল চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বাজার দর ঊর্ধবমূখী লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সরকার বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটার প্রতি ৯ টাকা বাড়ানোর পর পাটগ্রাম পৌরবাজার ঘুরে জানা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় ১০ টি পণ্যের বাজার দর বেড়েছে। এতে পাইকারী ও খুচরা ক্রেতা-বিক্রেতাসহ সাধারণ ভোক্তাদের মাঝে বিরাজ করছে একধরণের অস্বস্তি।

বৃহস্পতিবার পাটগ্রাম হাটে যাচাই করে দেখা গেছে, একেবারে নিম্নমানের চাল মোটা স্বর্ণাসহ সব ধরণের চালের বাজার ঊর্ধবমূখী। করোনাকালে গত ১ বছরে চালের দাম বেড়ে হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

পাটগ্রামের লোকাল চাল ৫০ কেজি বস্তা বাজার দর চলছে ২ হাজার ১’শ টাকা থেকে ২ হাজার ৪’শ টাকা।
আটাশ চাল ৫০ কেজি বস্তা ২ হাজার ৬ ‘শ থেকে ৭ ‘শ টাকা। দিনাজপুরের আটাশ ও ঊনত্রিশ চাল ৫০ কেজি বস্তা ২ হাজার ৭’শ থেকে প্রকারভেদে তিন হাজার ৩’শ টাকা পর্যন্ত। তার মানে কেজি ৫২ টাকা থেকে ৬৪ টাকা।মিনিকেট কেজি ৭০ টাকা। কাটারী পোলার চাল ৫০ কেজি বস্তা আগে ছিল ২ হাজার ৫৫০ টাকা,দাম বেড়ে এখন ৩ হাজার ২২০ টাকা। রেলগেট এলাকার সুলতানসহ কয়েকজন গালামাল দোকানদার জানান,
ঈদের আগে চিনি’র বস্তা ছিল পাইকারী ৩ হাজার ২২০ টাকা, এখন ৩ হাজার ৫’শ টাকা।
সয়াবিন বোতলজাত লি. ১৩৯ থেকে অঘোষিত এক দফা বেড়ে ১৪৪ টাকা হওয়ার পর সরকার আরও ৯ টাকা বেড়ে ১৫৩ টাকা করা হয়েছে।
পাটগ্রাম বাজার চৌরাস্তা মোড়ের নিউ হিমু হোটেল মালিক আলমগীর হোসেন বলেন, যেভাবে ময়দা চিনি ও পামওয়েল তেলের দাম বেড়েছে তাতে আগের মত ব্যবসা নেই। লকডাউন চলাকালে এনজিও ঋৃণের কিস্তি দিতে হিমশীম খেতে হচ্ছে। হোটেল কর্মচারীগণের অর্ধ বেতনে চাকুরী করার কারণে পরিবার চালাতে তারা অনেকে কোন রকমে বেঁচে আছেন বলে জানান। এদিকে,
পামওয়েল লি. ছিল ৬৩ টাকা। দাম বেড়ে একবার হয়েছে ৬৮ টাকা। এরপর এক লাফে দাম এখন লি. ১২৫ টাকা।
মসুর ডাল কেজি এক বছর আগে খুচরা বিক্রি হত ৫৫ টাকা। এখন পাইকারী বস্তা ৩ হাজার ৪’শ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৬’শ টাকা।
পাটগ্রামে প্রায় সময় ডিমের পাইকারী বাজার উঠা -নামা করে। ঈদের আগে ১’শ ডিমের দাম ছিল ৬১৫ টাকা, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৭২০ টাকা।

বাজার নিয়ন্ত্রনের মূলমন্ত্র হচ্ছে, চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন ও সরবরাহ করা। নিয়মিত বাজার মনিটরিং করে প্রশাসন ব্যবস্থা নিলে হয়তো কোন জিনিসের এমন সঙ্কটাবস্থা সৃষ্টি হত না বলে সচেতনমহল মনে করেন।


সম্পাদক

নির্বাহী সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলক প্রকাশক মোঃ আবুল হাসান মোবাইল নাম্বার 01860003666

বার্তাকক্ষ

মোবাইল নাম্বার 09638870180