মানুষের মাংস খেয়ে লাশের পাশে যৌনমিলনে লিপ্ত হন ভারতের অঘোরিরা

ঠাকুরগাঁও ২৪ ঠাকুরগাঁও ২৪

নিউজ পেপার ওয়েব ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:৫০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১

সংসারের মায়াজাল থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা। নেই কোনো পরিবারের পিছুটান। শুধুই ঈশ্বরের ধ্যানেমগ্ন এসব মানুষ। খাওয়া-ঘুম খুব একটা নেই তাদের জীবনে, নগ্ন গায়ে সারাক্ষণ ধ্যানেমগ্ন থাকেন তারা। বলছিলাম ভারতের হিন্দু সাধুদের কথা। ভারতের এই হিন্দু সাধুদের বলা হয় অঘোরি। সংস্কৃত ভাষায় অঘোরি মানে হচ্ছে ভীতিকর নয় এমন কিছু। কিন্তু বাস্তবে এই অঘোরিদের জীবনযাপনের কাহিনী মানুষের মধ্যে জাগায় একই সঙ্গে ভীতি, কৌতুহল এবং ঘৃণা।
সারাবছর এদের খুব একটা দেখা পাওয়া যায় না। জনসমক্ষে দেখা যায় বহুদিন পরপর কেবল কুম্ভমেলার সময়। এছাড়াও ভারতীয় উপমহাদেশে সানাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন তীর্থস্থানেও সাধুদের দেখা মেলে। অঘোরী সাধু সম্প্রদায় কিংবা সন্ন্যাসী, কারো কাছে সাধুবাবা, কারো কাছে নগ্ন পাগল আবার কারো কাছে কালো জাদুকর হিসেবে পরিচিত।

কথায় আছে-এরা ধ্যান করেন, খান, ঘুমান এবং শ্মশানে চারিদিকে চিতায় আগুনে পুড়তে থাকা লাশের পাশেই যৌনমিলনে লিপ্ত হন। এরা নগ্ন হয়ে ঘুরে বেড়ান, মানুষের মাংস খান এবং নরকংকালের খুলি থেকে পান করেন। গাঁজায় টান দেন। কিন্তু বাস্তবিক জীবনটা কি সত্যিই এমন।

সাধুদের নিয়ে গবেষণা করেছেন লন্ডনের স্কুল অব আফ্রিকান এন্ড ওরিয়েন্টাল স্টাডিজের অধ্যাপক জেমস ম্যালিনসন। তিনি সেখানে ‘সংস্কৃত এন্ড ক্লাসিকাল ইন্ডিয়ান স্টাডিজ’ পড়ান। জেমস ম্যালিনসনের ভাষায়,অঘোরিদের এসব রীতির মূল কথা হচ্ছে, তারা অ্যাধাত্মিক মুক্তিলাভের মাধ্যমে ঈশ্বরের সঙ্গে এক হতে চান, আর সেজন্যে তারা বিশুদ্ধতার সূত্রের সীমা ছাড়িয়ে যেতে চান।

বিশুদ্ধতার সব সূত্র অঘোরিদের গোত্রে নিষিদ্ধ। যা কিছুই গর্হিত বা নিষিদ্ধ বলে বিবেচিত, তার সব অঘোরিরা ভঙ্গ করে। সনাতনী ভালো-মন্দের যে ধারণা, সেটা তারা প্রত্যাখ্যান করে। যে পথ ধরে তারা আধ্যাত্মিক সাধনায় লিপ্ত হয়, সেটা পাগলামি এবং বিপদজনক বলে মনে হবে। অঘোরীদের অনেককেই কাপলা নামক নরকপাল পরিহিত অবস্থায় উত্তর ভারতের রাস্তায় ঘুরতে দেখা যায়। তারা ডাস্টবিন থেকে পঁচা খাবার,পশুপাখির বিষ্ঠা ও মল ভক্ষণ করে থাকে। তাদের বিশ্বাস। গরুর গোবর কিংবা কোনো খাদ্য, ঈশ্বর সব কিছুতেই বিরাজমান; তাই অপবিত্র কিংবা অমঙ্গলজনক বলে কিছুই নেই। সব কিছুই তাদের কাছে পবিত্র। সমাজে অপবিত্র ও নোংরা হিসেবে গ্রাহ্য কাজগুলোর মাধ্যমেই তারা শক্তি অর্জন করে। এই পবিত্র-অপবিত্র কিংবা ভালো-মন্দের পার্থক্য যতই নিষ্প্রভ করতে পারবে,ততই শক্তি অর্জিত হবে বলে তারা মনে করে। এরা মানুষের মাংস খায়, এমনকি নিজেদের মল খায়। কিন্তু তারা মনে করে এই কাজ করে তারা চেতনার একটা উচ্চতম পর্যায়ে পৌঁছায়।

অঘোরী গুরুরা বিশ্বাস করে, একজন অঘোরী সাধুকে সমাজ,পরিবার, বন্ধুত্ব এমনকি যেকোনো প্রকার জাগতিক চাহিদা ত্যাগ করতে হবে। তাদের আজীবন শ্মশান ঘাটে অবস্থান করা উচিৎ এবং কাপলার (মানুষের মাথার খুলি) মাধ্যমে পানাহার করা উচিৎ। মদ্যপান,গাঁজা সেবন ইত্যাদিকে অঘোরীরা সাধনার অপরিহার্য অঙ্গ বলে মনে করেন। হিমালয়ের ঠাণ্ডা আবহাওয়া হোক বা গরম- তারা প্রতিটি ঋতুতে জামাকাপড় ছাড়া থাকেন। তারা বিশ্বাস করেন, ঈশ্বরের কাছে পৌঁছানোর জন্য পরিচ্ছন্ন থাকা এবং পোশাক পরিধান করার মত ছোটোখাটো বিষয়গুলো নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়।

নগ্ন শরীরে নিত্যদিন ছাই মাখেন তারা। গোসল কিংবা পরিষ্কারের বালাই তাদের মধ্যে নেই। গ্রীষ্ম, শীত, বর্ষা কোনো ঋতুতেই শরীরে কাপড় পরেন না তারা। সাবান বা কোনো প্রসাধনীও কখনো তারা শরীরে ব্যবহার করেন না। মাথার চুলগুলো দীর্ঘকাল যত্নের অভাবে লম্বা হয়ে জট পাকানো তাদের, দাড়িরও একই দশা। তাদের গলায় ও কোমরে থাকে মোটা অসংখ্য রুদ্রাক্ষের মালা। তবে সব নাগা সাধুদের একটি বিষয় মিল আছে তা হলো প্রত্যেকেই নগ্ন। নাগা সাধুদের কাছে অগ্নি মহা পবিত্র দর্শনের বস্তু। এজন্য নিজেদের অবস্থানের কাছাকাছি আগুন জালিয়ে রাখেন তারা। এমনকি তারা যেখানেই থাকুক না কেন পাশে আগুন জ্বালিয়ে রাখে।

অঘোরি বা নাগা সাধুদের ইতিহাস অনেক পুরনো। প্রাচীন মহেঞ্জাদারো জনপদের মুদ্রার চিত্রে নাগা সাধুদের অস্তিত্বের প্রমাণ মেলে। এই চিত্রগুলোতে দেখা যায়, নাগা সাধুরা পশুপতিনাথ রূপে ভগবান শিবের উপাসনা করছে। অঘোরিদের মধ্যে যেসব রীতি বা প্রথা চালু রয়েছে, সেগুলো সাম্প্রতিকালের বলেই মনে হবে। অঘোরি শব্দটাই জানা যায় আঠারো শতক থেকে। তবে এই হিন্দু সাধুরা কাপালিকদের অনেক নিয়ম কানুন অনুসরণ করে। নরমুন্ডু বহনকারী কাপালিকদের সম্পর্কে কিন্তু জানা যায় সেই সপ্তম শতক থেকেই। কাপালিকরা নরবলির প্রথায় বিশ্বাস করতো। কিন্তু এদেরকে এখন আর দেখা যায় না।

অন্য হিন্দু জাতের মতো অঘোরিদের সমাজকে খুব সুসংগঠিত বলা যাবে না। বেশিরভাগ সময় এরা বাস করে দূরের কোনো জনবিচ্ছিন্ন এলাকায়। বাইরের দুনিয়ার লোকদের এরা খুব বিশ্বাস করে না। তারা এমনকি তাদের নিজেদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখে না। অঘোরিরা সাধারণত আসে সমাজের তথাকথিত ‘নীচু জাতের’ লোকদের মাঝ থেকে। তবে বুদ্ধিবৃত্তির বিচারে এদের মধ্যেও বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ আছে। একজন অঘোরি নেপালোর রাজার উপদেষ্টা পর্যন্ত হয়েছিলেন।

আবার মধ্যযুগীয় কাশ্মীরী কাপালিকতন্ত্র থেকেই অঘোরীদের উৎপত্তি বলে মনে করা হয়। এদের প্রাচীন নাম ‘কালমুখ’। তাছাড়া কিনারাম’র ঐতিহ্যের কথা সব অঘোরীই স্বীকার করে। এক হিসেবে দেখলে অঘোরীরা শক্তি আরাধক। কালী বা তারা’র উপাসনাই তারা করে থাকে। কিন্তু তাদের আদর্শ শিবত্ব। এই জায়গায় মূলধারার শাক্ত তান্ত্রিকদের সঙ্গে তারা সহমত। তাদের আরাধ্য পুরুষ দেবতাদের মধ্যে শিব ছাড়াও কালভৈরব, মহাকাল, বীরভদ্র প্রমুখ রয়েছে।

অঘোরীদের গমনাগমন মূলত ভারতের শাক্ত তীর্থগুলোতে। তবে,বিশেষ কয়েকটি মন্দির বা দেবস্থানকে তারা তাদের উপাসনাক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্ব দেয়। জন্মচক্র থেকে মুক্তি এবং মোক্ষের সাধনাই অঘোরীদের কাছে মুখ্য কাজ। তাদের ক্রিয়া-কর্ম রাত্রিকালীন। তারা এমনিতেও নিশাচর। কিন্তু তাই বলে তারা ‘অপ্রকাশ্য’ নন। মজার ব্যাপার হলো- তারা শৈব সাধক হলেও শাক্তদের সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ নেই। তাই বলে যে কোনো শাক্ততীর্থে অঘোরীদের দেখা মিলবে এমনও নয়।

অন্যদিকে আলেকজান্ডার এবং তার সৈন্যরাও নাগা সাধুদের মুখোমুখি হয়েছিল। বুদ্ধ এবং মহাবীর নাগাদের তপস্যা, মানুষ এবং মাতৃভূমির প্রতি নিষ্ঠা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। জানা যায়, ভারতে যখন বকধার্মিকদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গিয়েছিল তখন গুরু শংকরাচার্য তাদের রুখতে একটি খারু গঠন করেন। এই সঙ্ঘের মাধ্যমেই নাগা সাধুদের বর্তমান ধারার উৎপত্তি ঘটে। নাগারা বরাবরই শাস্ত্রজ্ঞান ও অস্ত্রজ্ঞান উভয় বিষয়েই সমান দক্ষ ছিল।

একসময় তারা এ দুটির সমন্বয়ে সনাতন ধর্ম রক্ষার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছিল। জানা যায়, ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসন প্রচলিত হওয়ার পর বিভিন্ন সময় নাগা সাধুরা স্ব-ধর্ম রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ইংরেজদের বিরুদ্ধে তারা অনেক আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল। এর মধ্যে ১৭৬০ এর দশকে ফকির সন্ন্যাসী বিদ্রোহে তাদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। অনেক জমিদারের পক্ষ নিয়েও তারা ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে।

এই অঘোরিদের সংখ্যা খুবই কম। বে ধারণা করা হয় এই সংখ্যা কয়েক হাজারের বেশি হবে না। পূণ্যার্থীরা তাদের খাবার এবং অর্থকড়ি দেয়। কিন্তু অঘোরিরা অর্থকড়ির ব্যাপারে নিস্পৃহ। এরা কিন্তু সবার জন্যই প্রার্থনা করে। কেউ সন্তান পাওয়ার জন্য তাদের আশীর্বাদ চাইছে আর কে বাড়ি বানানোর জন্য, সেটা নিয়ে তারা ভাবে না।

অনেকেরই ধারণা অঘোরীরা কালো জাদুকর। তবে তারা কোনো কালো জাদু করে না, বরং তারা মনে করে যারা কালো জাদু করে তাদের জীবন দুর্বিসহ হয়ে ওঠে। অঘোরিরা মূলত শিবের পুজারি। ধ্বংসের দেবতা। তাদের জীবনের মূল সাধনা, জীবন মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি লাভ করা। তারা শিবের ভক্ত হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে মা কালি ও কাল ভৈরবের আরাধনা করেন। তা লাভ করার পর তারা হিমালয়ে গিয়ে বিলীন হয়ে যায়। উত্তর ভারতে কেবলমাত্র পুরুষরাই অঘোরি সম্প্রদায়ভুক্ত হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে নারী অঘোরিও দেখা যায়। এরা শ্মশানে বাস করে। তবে তারা কাপড় পরে। বেশিরভাগ মানুষ মৃত্যুকে ভয় পায়। শ্মশান হচ্ছে মৃত্যুর প্রতীক। কিন্তু অঘোরিদের জন্য সেটাই হচ্ছে শুরু।

অঘোরীদের বেশিরভাগ আচারণই মানুষের ভীতি উদ্রেককারী। অঘোরীরা বিশ্বাস করে শিবের বৈনাশিক রূপে। এক তীব্র শৈব ভাবনা থেকে তারা শিবানুসারী জীবনযাপনে উদ্যোগী হন। শ্মশানবাস তার মধ্যে প্রধান। অঘোরী সাধুরা মৃতদেহ ভক্ষণ,মূত্রপান ইত্যাদি অভ্যাস করে। ১৭ শতকের সন্ন্যাসী বাবা কিনারামের সূত্রেই এই আচারণগুলো অঘোরীদের কাছে প্রবেশ করেছে বলে জানা যায়। এর বাইরে অঘোরীরা নিয়মিত শবসাধনা করে থাকে। মৃতদেহ থেকে হাড় ছাড়িয়ে তা নিজেদের শরীরে ধারণ করে,সঙ্গে রাখে। মানুষের হাড়কে তারা গহনার মতো পরিধান করে। এছাড়াও তারা মৃতদেহ থেকে অসাধারণ তেল বের করে ওষুধ তৈরি করে,যা খুব কার্যকর বলে কিছু মানুষ মনে করে থাকে।

অনেক অঘোরি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে যে তারা মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম করেছে। তবে তাদের সমাজেও যৌনসম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছু নিষেধের বেড়াজাল আছে। এরা পতিতাদের সঙ্গে তাদের রীতি অনুযায়ী যৌনসঙ্গম করে। তবে তাদের ইচ্ছা না থাকলে স্পর্শ করে না। এরা সমকামিতায় বিশ্বাসী নয়, এটি অনুমোদনও করে না। যখন অঘোরিরা মারা যায়, তাদের দেহ অন্য অঘোরিরা খায় না। তাদেরকে কবর দেয়া হয় কিংবা চিতায় পোড়ানো হয়।

তবে চাইলেই যে কেউ অঘোরি হতে পারবেন না। টানা ১২ বছর কঠোর সাধনার পর অঘোরী গুরুর আশীর্বাদে নিজের ধর্মীয় যাত্রা শুরু করেন অঘোরী সাধুরা। সন্ন্যাসী হয়ে ওঠার আগে, তাদের নিজের শ্রাদ্ধ তথা তর্পন নিজেকেই করতে হয়। ছিন্ন করা হয়,সাংসারিক সম্পর্ক চিরতরে। শুরু হয় ‘সন্ন্যাস জীবন’,যেন ঠিক পুনর্জন্মের মাধ্যমেই শুরু করা হলো, একটি নতুন জীবন। এছাড়াও অঘোরী সাধু হওয়ার জন্য তাকে আরো কিছু শর্তাবলি মানতে হয়-

• প্রথমত সে ব্যক্তিকে একজন অঘোরী গুরুকে খুঁজে বের করতে হবে এবং তার নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

• এরপর তাকে একজন মৃত মানুষের মাথার খুলি খুঁজে বের করতে হবে। এ মাথার খুলি কাপলা নামে পরিচিত। তার দীক্ষা পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত তাকে প্রতিনিয়ত শুধু এই কাপলাকেই খাবারের পাত্র হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।

• তার ধ্যানের সময় অবশ্যই তাকে চিতার ছাই গায়ে মেখে নিতে হবে।

• তাকে অবশ্যই মানুষের পচা মাংস ভক্ষণ করতে হবে এবং মৃতদেহ সঙ্গে রেখে ধ্যান করতে হবে।
একজন প্রকৃত নাগা সাধু হওয়ার পথে ভুল হওয়ার সুযোগ খুবই কম থাকে। যদি কেউ প্রশিক্ষণ চলাকালীন কোনো ভুল করে তাকে কঠোর শাস্তি পেতে হয়। একজন নাগা সন্ন্যাসী প্রস্তুত হতে ২০ বছর সময় লাগে। আট বছর বয়সে নাগা সাধু হতে ইচ্ছুকদের কঠিন পরীক্ষা নেয়া হয়।

শিশুরা এই পরীক্ষায় পাশ করলে প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিত হয়। এরপর একটা মন্ত্র দেয়া হয় অতঃপর ১২ বছর বয়সে প্রশিক্ষণ শুরু হয়। ছোট নাগাদের প্রশিক্ষণ অনেকটা সামরিক বাহিনীর মতো বললেও ভুল হবে না। যে কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের অটল থাকার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। দেশ এবং সমাজের প্রয়োজনে তাদের অস্ত্র ধারণের প্রশিক্ষণও দেয়া হয়।

তবে অনেকের মনেই এদের শরীরে ছাই মাখা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাদের শরীরে মাখা ছাইও একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি বলে জানা যায়। যজ্ঞের ভস্মের সঙ্গে গোবর, কলাপাতা, বেলপাতা, কাঁচা দুধ, কলা এবং ঘি দিয়ে এই মিশ্রেণ তৈরি করা হয়। এই ভস্ম গায়ে মাখলে বিষাক্ত পোকামাকড়, সাপ, মশা কিছু কাছে আসে না বলে জানা যায়। পাহাড় কিংবা আশেপাশের অঞ্চলেই থাকে এরা সব সময়।


সম্পাদক

নির্বাহী সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলক প্রকাশক মোঃ আবুল হাসান মোবাইল নাম্বার 01860003666

বার্তাকক্ষ

মোবাইল নাম্বার 09638870180