নতুন বছরকে বরণে ঠাকুরগাঁওয়ের পাড়া-মহল্লায় চলছে পিকনিকের আয়োজন


ঠাকুরগাঁও ২৪ নিউজপেপার ডেস্ক প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৩১, ২০২২, ৬:২৮ অপরাহ্ণ /
নতুন বছরকে বরণে ঠাকুরগাঁওয়ের পাড়া-মহল্লায় চলছে পিকনিকের আয়োজন

বছরের শেষ সূর্যটাও অস্ত গেছে। রাতে পোহালেই নতুন বছর। তাই ইংরেজি নতুন বছরকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত ঠাকুরগাঁওবাসী। পাড়ায় পাড়ায় চলছে পিকনিকের প্রস্তুতি। নগরীর মাংস, মিষ্টিসহ অন্য পণ্যের দোকানে বেড়েছে বিক্রি।

ঠাকুরগাঁও জেলার কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সবখানেই চলছে পিকনিকের আমেজ। প্রতিটি পাড়ায় রাস্তা ধারে চলছে পিকনিকের প্রস্তুতি। এছাড়া বাসাবাড়িতে পরিবারিকভাবেও অনেক পিকনিকের আয়োজন করা হয়েছে। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই আয়োজন আরও জোরেসোরে চোখে পড়ে। নগরীর অন্তত দুই শতাধিক জায়গায় পিকনিকের আয়োজন করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

বিকেল ৫টার দিকে ঠাকুরগাঁও রোড় এলাকার গিয়ে পিকনিকের আয়োজনে চোখে পড়ে। চলছিল সামিয়ানা ও লাইটিংয়ের কাজ। সেখানে এক সদস্য আজাদ ইসলাম বলেন, প্রতিবছরই ৩১ ডিসেম্বর আমরা পিকনিক করে থাকি। এখানে সবার অংশগ্রহণ থাকে। সবাই মিলে এক সঙ্গে পাড়ার মোড়ে লাইটিং, সামিয়ানাসহ বিভিন্ন নকশা করে পিকনিকের আয়োজন করছি।

ঠাকুরগাঁও রোড কাজিপারা এলাকার ঈদগাহ মাঠে পিকনিকের আয়োজন করেছেন স্থানীয়রা। সেখানে লাইটিং ও বক্স লাগাচ্ছেন নুরাআলম। তিনি বলেন, বছরে শেষদিনে আনন্দ করি। এই আনন্দ যাতে সারাবছর থাকে, সবাই মিলে একসঙ্গে এভাবেই থাকতে পারি এজন্যই আমরা এ আয়োজন করেছি। আগামীতেও করবো।

এদিকে, পিকনিকের আয়োজন উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রায় সব ধরনের দোকানেই উপচেপড়া ভিড়। বিশেষ করে মাংস, ডিম, সবজি, মুদিখানা ও দই-মিষ্টির দোকানে ভিড় দেখা গেছে।

ঠাকুরগাঁও রোড এলাকায় মাংস বিক্রি করেন মুনসুর। তিনি বলেন, অন্যদিন আমরা একটি গুরু জবাই করি। আজকে ৩১ ডিসেম্বর সবাই পিকনিক করছে। আজ সারা রাতই দোকান খোলা থাকবে। তাই তিনটি গরু জবাই করা হয়েছে। বিকেল পর্যন্ত দুইটি গুরুর মাংস বিক্রি করে ফেলেছি।

এদিকে, ইংরেজি বর্ষবরণকে ঘিরে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ। বাড়ানো হয়েছে নজদারিও। ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনর্চাস কামাল ইসলাম বলেন, ইংরেজি বর্ষবরণকে ঘিরে সতর্ক অবস্থানে আছে পুলিশ। এরই মধ্যে ৩১ ডিসেম্বরকে ঘিরে বেশকিছু নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২৪টি টহল পার্টি, মোবাইল পার্টি ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিতে পুলিশ সদস্যদের রাখা হবে।

তিনি আরও বলেন, ইংরেজি বর্ষবরণে কোনো ধরনের গুজব যাতে ছড়িয়ে না পাড়ে সেজন্য আমাদের সাইবার মনিটরিং চালু আছে। কেউ কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটালে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

subscribers